Tuesday, December 29, 2015

জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী নারী পুরুষের আদর্শ ওজন

জেনে নিন উচ্চতা
অনুযায়ী নারী পুরুষের
আদর্শ ওজন

উচ্চতার অনুযায়ী প্রতিটি মানুষের আছে একটি
আদর্শ ওজন। ওজন যদি এই আদর্শ মাত্রায় থাকে,
অর্থাৎ এর চাইতে বেশি বা কম না হয়ে থাকে,
তাহলে মানুষটি সুস্থ দেহের অধিকারী এবং
তার রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা কম।
আদর্শ ওজন নির্ণয়ের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির ওজন
কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে
মাপা হয়। এরপর ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ
করা হয়। এই ভাগফলকে বলা হয় বিএমআই। বিএমআই
১৮ থেকে ২৪-এর মধ্যে হলে স্বাভাবিক।
২৫ থেকে ৩০ এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প
মোটা, ৩০ থেকে ৩৫ এর মধ্যে হলে বেশি মোটা।
আর ৩৫ এর ওপরে হলে তাদেরকে অসুস্থ পর্যায়ের
মোটা বলা যেতে পারে।
অতিরিক্ত ওজন কিংবা অতি কম ওজন কারোই
কাম্য নয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন বেঁটে
কিন্তু মোটা, আবার অনেকে খুব লম্বা কিন্তু যেন
তালপাতার সেপাই। এরকম অবস্থা মানে উচ্চতা
অনুযায়ী তাদের ওজন ঠিক নেই। আপনার ওজন
বেশি না কম, নাকি তা ঠিকই আছে তা বুঝতে
হলে জেনে নিন উচ্চতা অনুযায়ী
উচ্চতা অনুযায়ী নারী পুরুষের আদর্শ ওজন
উচ্চতা পুরুষ (কেজি) নারী (কেজি)
►৪’৭” —— ৩৯-৪৯ —– ৩৬-৪৬
►৪’৮” —— ৪১-৫০ —– ৩৮-৪৮
►৪’৯” —— ৪২-৫২ —– ৩৯–৫০
►৪’১০” — ৪৪-৫৪ —– ৪১–৫২
►৪’১১” — ৪৫-৫৬ —– ৪২-৫৩
►৫ফিট — ৪৭-৫৮ —– ৪৩-৫৫
►৫’১” —— ৪৮-৬০ —– ৪৫-৫৭
►৫’২” —— ৫০-৬২ —– ৪৬-৫৯
►৫’৩” —— ৫১-৬৪ —– ৪৮-৬১
►৫’৪” —— ৫৩-৬৬ —– ৪৯-৬৩
►৫’৫” —— ৫৫-৬৮ —– ৫১-৬৫
►৫’৬” —— ৫৬-৭০ —– ৫৩-৬৭
►৫’৭” —— ৫৮-৭২ —– ৫৪-৬৯
► ৫’৮” —— ৬০-৭৪ —– ৫৬-৭১
► ৫’৯” —— ৬২-৭৬ —– ৫৭-৭১
►৫’১০” —— ৬৪-৭৯ —– ৫৯-৭৫
►৫’১১” —— ৬৫-৮১ —– ৬১-৭৭
►৬ ফিট —— ৬৭-৮৩ —– ৬৩-৮০
►৬’১” —— ৬৯-৮৬ —– ৬৫-৮২
►৬’২” —— ৭১-৮৮ —– ৬৭-৮৪
শরীর অতিরিক্ত রুগ্ন হলে দেখতে খারাপ তো
লাগেই, সাথে চেহারায় দ্রুত বলিরেখা পড়ে।
অতি রুগ্ন মানুষ অপুষ্টির শিকার। ফলে পুষ্টি জনিত
নানাবিধ রোগ, যেমন- অ্যানিমিয়া বা রক্ত
শুন্যতা, শারীরিক দুর্বলতা, নানান রকম চর্মরোগ
ইত্যাদি হওয়ার প্রবল সম্ভাবন থাকে। অপুষ্টির
শিকার হলে চুল পড়ে যাওয়া, দাঁত নষ্ট হয়ে
যাওয়া, হাড় খয়ে যাওয়া সহ নানা রকম রোগ হতে
পারে।
আবার শরীরে অতিরিক্ত চর্বি জমার ফলে মানুষ
মোটা হয় বা ভুঁড়ি হয়। ফ্যাট সেল বা চর্বিকোষ
আয়তনে বাড়ে তখন শরীরে চর্বি জমে। পেটে,
নিতম্বে, কোমরে ফ্যাট সেল বেশি থাকে।
অতিরিক্ত খাওয়ার জন্য দেহে চর্বি জমে, আবার
যে পরিমাণ খাওয়া হচ্ছে বা দেহ যে পরিমাণ
ক্যালরি পাচ্ছে সে পরিমাণ ক্ষয় বা ক্যালরি
খরচ হচ্ছে নাএ কারনেও দেহে মেদ জমতে পারে।
এগুলো শোনার বা জানার পর অনেকে হয়তো
বলবেন, সঠিক পরিমাণে খাদ্য গ্রহণের পরও ওজন
বেশি। তাদের অভিযোগ সঠিক। বংশগত কারণেও
মানুষ মোটা হতে পারে।
মদ্যপান, অতিরিক্ত ঘুম, মানসিক চাপ, স্টেরয়েড
এবং অন্য নানা ধরনের ওষুধ গ্রহণের ফলেও ওজন
বাড়তে পারে। বাড়তি ওজন কিংবা ভুঁড়ি
নিয়ে অনেক সমস্যা। বাড়তি ওজনের জন্য
যেকোনো ধরনের হৃদরোগ হওয়ার সম্ভাবনা
থাকে। এছাড়া রক্তনালিতে চর্বি জমে নানা
সমস্যার সৃষ্টি হয়। বাড়তি ওজন রক্তচাপেরও কারণ।
ডায়াবেটিস টাইপ-২ দেখা দিতে পারে মেদ
বৃদ্ধির জন্য। মেদবহুল ব্যক্তির জরায়ু, প্রস্টেট ও
কোলন ক্যান্সারের সম্ভাবনা শতকরা ৫ ভাগ
বেশি।
ওজন বৃদ্ধির সাথে সাথে হাঁটাচলা করতে সমস্যা
হয়। হাঁটুর সন্ধিস্থল, কার্টিলেজ, লিগামেন্ট
ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত এবং
গাউট হওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। অতিরিক্ত
চর্বি থেকে পিত্তথলিতে পাথর হওয়ার
সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
সব মিলিয়ে বলা যায়, অতিরিক্ত কম ওজন বা
অতিরিক্ত বেশি ওজন- দুটোই সুস্থতার বিপরীত।
নিজের আদর্শ ওজন নির্ণয় করুন, এবং আপনার
অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ওজনকে আদর্শ অবস্থানে
আনবার জন্য চেষ্টা করুন। কেবল সুন্দর থাকা মানেই
ভালো থাকা নয়, সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকাই
সত্যিকারের ভালো থাকা।

Wednesday, December 23, 2015

জমি রেজিস্ট্রেশনের নিয়ম, সবার জেনে রাখা দরকার

জমি রেজিস্ট্রেশনেরবাংলাদেশে প্রযোজ্য সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৫৪এ ধারা অনুসারে অস্থাবর সম্পত্তির বিক্রয় চুক্তি হবে লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ২১এ ধারার বিধান অনুসারে আদালতের মাধ্যমে চুক্তি বলবতের দুই শর্ত হলোঃ
লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত বায়না ব্যতীত চুক্তি প্রবলের মামলা আদালতের মাধ্যমে বলবৎ করা যাবে না।
বায়নার অবশিষ্ট টাকা আদালতে জমা না করলে মামলা দায়ের করা যাবে না।
রেজিস্ট্রেশনের সময় যে সকল কাগজপত্র প্রদান করতে হয়:
দলিল রেজিস্ট্রারিং অফিসার এ আইনে নতুন সংযোজিত ৫২এ ধারার বিধান অনুসারে বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি করা হয় না যদি দলিলের সাথে নিচের কাগজগুলো সংযুক্ত থাকে:
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ এর বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সম্পত্তির সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম যদি তিনি উত্তরাধিকার সূত্র ব্যতীত অন্যভাবে সম্পত্তির মালিক হয়ে থাকেন।
প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুসারে প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ খতিয়ান, বিক্রেতার নাম বা বিক্রেতার পূর্বসূরীর নাম যদি তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে ঐ সম্পত্তি পেয়ে থাকেন।
সম্পত্তির প্রকৃতি।
সম্পত্তির মূল্য।
চতুর্সীমা সহ সম্পত্তির নকশা।
বিগত ২৫ বৎসরের মালিকানা সংক্রান্ত সংক্ষিপ্ত বিবরণ।
দাতা কর্তৃক এ মর্মে একটি হলফনামা (Affidavit) সম্পাদন করতে হবে যে তিনি উক্ত সম্পত্তি ইতোপূর্বে কারো নিকট বিক্রি করেননি এবং তিনিই দলিলে উল্লেখিত সম্পত্তির মালিক (He has Lawful Title)।
বিক্রয় বা সাফ কবলা দলিলের রেজিষ্ট্রেশন ব্যয় নিম্নরূপ:
২০০৯ সালের অক্টোবর থেকে পৌর এলাকা ভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
৩.০%
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০%
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
২.০%
গেইন ট্যাক্স ( পৌর/ সিটি কর্পোরেসনে জমা দিতে হয়)
১.০ %
মোট =
৯.০%
পৌর এলাকা বা সিটি কর্পোরেশন বহির্ভূত/ ইউনিয়ন পরিষদভুক্ত এলাকার জন্য:
ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প (সম্পত্তির মূল্যের)
২.০ %
সরকারী রেজি: ফি (যা রেজিষ্ট্রি অফিসে নগদ জমা দিতে হয়)
২.০ %
স্থানীয় সরকার ফি (যা রেজিষ্ট্রি নগদ জমা দিতে হয়)
১.০ %
উৎস কর (এক লক্ষ টাকার উপরের জন্য প্রযোজ্য)
১.০ %
মোট =
৬.০%
এছাড়াও প্রতিটি দলিল রেজিষ্ট্রির সময় ৫০/= (পঞ্চাশ) টাকা মূল্যের ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে হলফনামা ও একটি নোটিশ সংযুক্ত করতে হয়। উক্ত নোটিশে ১/= টাকা মূল্যের কোর্ট ফি সংযুক্ত হয়। দলিল রেজিষ্ট্রি করতে ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে দলিল সম্পাদন করতে হয় এবং ষ্ট্যাম্পের বাদবাকী মূল্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে চালান করে, চালানের কপি সংযুক্ত করতে হয়।
দলিলের সার্টিফাইড কপি উত্তোলনের ক্ষেত্রে সরকারী ফি নিম্নরূপ:
ষ্ট্যাম্প বাবদ
২০ টাকা
কোর্ট ফি
৪ টাকা
মোট=
২৪ টাকা
লেখনী বাবদ দলিলের প্রতি ১০০ শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য বাংলার জন্য
৩ টাকা
প্রতি ১০০ ইংরেজী শব্দ বা অংশ বিশেষের জন্য
৫ টাকা
জরুরী নকলের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত
২০ টাকা
উক্ত নকল চার পৃষ্ঠার বেশি হলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য
৫ টাকা
দান দলিল রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:
রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:
স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা।
উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।
জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফিঃ
স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
স্ট্যাম্প ফি
২%
রেজিস্ট্রেশন ফি
২.৫%
ই ফিস
প্রযোজ্য

Tuesday, December 22, 2015

২১ পদ মজাদার ভর্তার রেসিপি শিখে নিন !

২১ পদ মজাদার ভর্তার রেসিপি শিখে নিন !
০১। আলু ভর্তা:
আলু আধা কেজি সিদ্ধ করে চটকে নিন। এবার
পাত্রে ২ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শুকনা
মরিচ ভেজে পেঁয়াজ কুঁচি দিন। পেঁয়াজ
বাদামী রং হলে পেঁয়াজ মরিচ লবণ দিয়ে
চটকে আলু দিন এবার ধনেপাতা কুঁচি দিয়ে
মেখে ভর্তা বানিয়ে নিন।
০২। বেগুন ভর্তা:
উপকরণ: বড় গোলবেগুন ১টি, সরিষা বাটা ১ চা
চামচ, নারকেল মিহি বাটা ২ চা চামচ,
টমেটো কুঁচি১ কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি আধা কাপ,
মেথি আধা কাপ, রাধুনী সরিষার তেল ২
টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল
চামচ, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: বেগুনের গায়ে তেল মাখিয়ে
পুড়িয়ে নিন। এবার পানিতে রেখে খোসা
ছাড়িয়ে মেখে নিন। কড়াইয়ে তেল দিয়ে
মেথি ফোড়ন দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি দিন।
পেঁয়াজ একটু নরম হলে টমেটো সরিষা,
নারকেল, কাঁচামরিচ ও লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ
নেড়ে বেগুন দিন। কড়াইয়ের তলা ছেড়ে
এলে এবং একটু আঠালো হলে নামিয়ে
নিতে হবে।
০৩। মসুর ডালের ভর্তা:
উপকরণ: মসুর ডাল ১ কাপ, পানি ৩ থেকে
সাড়ে ৩ কাপ, রসুন কুঁচি আধা চামচ, পেঁয়াজ
কুচি ১ চা চামচ, লবণ আধা চা চামচ,
কাঁচামরিচ ফালি ২টি, তেল ১ চা চামচ।
প্রণালী: সব উপকরণ দিয়ে ডাল সিদ্ধ করতে
হবে। ঘন থকথকে হলে নামাতে হবে।
০৪। টমেটো ভর্তা:
উপকরণ: ছোট টমেটো ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজ
মিহি কুঁচি ১ টেবিল চামচ, শুকনা মরিচ ২টা,
ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, চিনি ১ চা চামচ, সরষের তেল
১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ।
প্রণালী: শুকনা মরিচ তাওয়ায় টেলে
বিচিসহ গুঁড়ো করে নিতে হবে। টমেটোর
গায়ে তেল লাগিয়ে তাওয়ার ওপর ঢাকনা
দিয়ে ঢেকে মাঝারি আঁচে চুলায় তুলে সব
দিক সমানভাবে পুড়িয়ে নিতে হবে।
ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে চটকে
পেঁয়াজ, মরিচ, লবণ, তেল, চিনি, লেবুর রস,
ধনেপাতা দিয়ে মেখে ভর্তা করতে হবে।
০৫। টাকি মাছের ভর্তা:
উপকরন: টাকিমাছ ১ কাপ,পেঁয়াজ,স্লাইস ৩
টে.চা ,আদা,রসুন,বাটা ১ চা. চা,পেঁয়াজ
পাতা ২ টে. চা ,জিরা,বাটা ১ চা.
চা,রসুন,ছেঁচা ২ টে. চা,ধনে,বাটা ১ চা. চা
,লবণ,স্বাদ অনুযায়ী,হলুদ,বাটা ১/২ চা. চা
,মরিচ,বাটা ১ /২ চা. চা
প্রনালী: মাছ সিদ্ধ করে কাটা বেছে ১
কাপ মেপে নাও।,তেলে পেঁয়াজ দিয়ে
হালকা বাদামী রং করে ভেজে বাটা
মসলা ও সামান্য পানি এবং রসুন দিয়ে
কষাও। কষানো হলে পেয়াজপাতাসহ কচি
পেঁয়াজ দিয়ে নাড়। মাছ দিয়ে নেড়ে
নেড়ে ভাজ। লবণ দাও। মাছ হালুয়ার মতো
তাল বাঁধলে নামাও। মাছ যেন ঝুরি এবং
শুকনা না হয়।এর পর আপনি চাইলে হাত দিয়ে
গোল গোল বল বানিয়ে পরিবেশন করুন
মজাদার টাকি মাছের ভাজা ভর্তা।
০৬। কালিজিরা ভর্তা:
উপকরণ: কালিজিরার আধা কাপ, রসুনের
কোয়া ২ টেবিল-চামচ, কাঁচামরিচ ৮টি,
পেঁয়াজ কুঁচি ৪ টেবিল-চামচ, লবণ
পরিমাণমতো, সরিষার তেল ২ টেবিল-চামচ।
প্রণালী: রসুন, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ
কাঠখোলায় টেলে নিতে হবে। তেল বাদে
সব উপকরণ পাটায় বেটে তেল দিয়ে মেখে
ভর্তা করুন।
০৭। আলু ডিম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ডিম ২টি, আলু ১টি (মাঝারি
সাইজের), কাঁচামরিচ কুঁচি ১ চা চামচ,
পেঁয়াজ কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ধনেপাতা কুঁচি
১ চা চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: আলু এবং ডিম সেদ্ধ করে নিন।
খোসা ছাড়িয়ে আলু এবং ডিম
আলাদাভাবে চটকে নিন। এবার পেঁয়াজ
কুচি, লবণ এবং আধা চা চামচ সরিষার তেল
দিয়ে ডিম ও আলু ভালোভাবে মেখে ভর্তা
তৈরি করুন।
০৮। পালংশাক ভর্তা:
উপকরনঃ পালংশাক ২০০ গ্রাম , কাঁচা মরিচ/
শুকনা মরিচ ভাজা ৫ থেকে ৬ টি পেয়াজ
কুচি ২ টেবিল চামচ। লবণ ও সরিষার তেল -
নিজের পছন্দ মত।
প্রনালীঃ প্রথমে পালংশাক ভাল করে ধুয়ে
বড় করে কেটে যে কোন পাত্রে সিদ্ধ করে
নিন। শাক সিদ্ধ হয়ে গেলে পেয়াজ কুচি,
মরিচ ও লবণ হাত দিয়ে চেটকিয়ে মিহি করুন।
তারপর সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে
পরিবেশন করুন। শীতের দিনে গরম গরম ভাতের
সাথে শাক ভর্তা অনেক সুস্বাদু লাগে।
০৯। লাউশাক ভর্তা:
উপকরণ: লাউয়ের পাতা ৬-৭টা, নারকেল
কুড়ানো ৪ চা চামচ, সরিষা ২ চা চামচ, সেদ্ধ
কাঁচামরিচ ২টা, প্রয়োজনমতো লবণ।
প্রণালী: লাউশাক ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ
করুন। শাকের সাথে কাঁচামরিচও সেদ্ধ করুন।
শাক সেদ্ধ করে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার
নারকেল কুড়ানো, সরিষা, লবণ, সেদ্ধ করা
শাক ও কাঁচামরিচসহ পাটায় পানি ছাড়া
বেটে ভর্তা তৈরি করুন।
১০। কাচকি মাছ ভর্তা
উপকরণ: কাচকি মাছ এক কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ১
টেবিল চামচ, রসুন কুচি ২ চা চামচ,
কাঁচামরিচ ৪টি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল
চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: কাচকি মাছ ভালো করে ধুয়ে
পানি ঝরিয়ে রাখুন। কাচকি মাছ, পেঁয়াজ
কুঁচি, রসুন কুঁচি, কাঁচামরিচ অল্প তেলে
কড়াইতে হালকাভাবে ভাজুন। ভাজা হলে
লবণ ও ধনেপাতা দিয়ে পাটায় বেটে ভর্তা
তৈরি করুন।
১১। করল্লার ভর্তা
করল্লা ধুয়ে খুব মিহি করে কুঁচি করে নিন।
এবার করল্লা কুচি চটকে নিয়ে পেঁয়াজ,
কাচা মরিচ, লবন এবং তেল দিয়ে ভর্তা
তৈরি করুন।
১২। ছুরি শুঁটকি ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: ছুরি শুঁটকি ছোট করে কাটা আধা
কাপ, পেঁয়াজ কুঁচি ২ কাপ, শুকনা মরিচের গুঁড়া
২ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, চিনি
আধা চা চামচ, লেবুর রস ১ চা চামচ, তেল
আধা কাপ, আদা বাটা আধা চা চামচ, রসুন
বাটা ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ
গুঁড়া ১ চা চামচ, তেজপাতা ১টি, কাঁচামরিচ
চার টুকরা করে কাটা ৬টি।
প্রণালী: শুঁটকি ভালো করে ধুয়ে সিদ্ধ করে
বেটে নিতে হবে। তেল গরম করে আদা-রসুন
দিয়ে ভালো করে ভুনে শুঁটকি দিয়ে ভুনতে
হবে। হলুদ, ধনে, মরিচের গুঁড়া, তেজপাতা, লবণ
দিয়ে মাঝারি আঁচে ৮-১০ মিনিট ভুনে
পেঁয়াজ দিয়ে ভুনতে হবে। পেঁয়াজ নরম হয়ে
এলে চিনি, লেবুর রস, কাঁচামরিচ দিয়ে
কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে নামাতে হবে।
১৩। ধনেপাতার চাটনি:
উপকরণ: টাটকা ধনেপাতা বড় ২ আঁটি, রসুন ২
কোয়া, তেঁতুল ১ টেবিল চামচ। কাঁচামরিচ
১টি, চিনি, লবণ স্বাদমতো।
প্রণালী: ধনেপাতার কচি ডগা ও পাতা
বেছে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখুন। ধনেপাতা,
রসুন, কাঁচামরিচ, তেঁতুল, লবণ ও চিনি সব
একসঙ্গে মিশিয়ে মিহি করে কেটে নিন।
সামান্য ঝাল, মিষ্টি ও টকটক স্বাদ হবে।
১৪। সরিষা ভর্তা:
উপরকণ: লাল সরিষা ৪ টেবিল চামচ,
কাঁচামরিচ ১টি, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: সরিষা ভালো করে বেছে ধুয়ে
কাঁচামরিচ এবং লবণ দিয়ে শিলপাটায়
বেটে নিন।
১৫। কাঁচকলা ও ইলিশ মাছের ভর্তা:
উপকরণ : কাঁচকলা ২টি (মাঝারি), ভাজা
ইলিশ মাছ ২ টুকরা (কাঁটা ছাড়ানো), শুকনো
মরিচ ভাজা ২টি, কাঁচামরিচ কুচি ২টি,
পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ, সরিষার তেল ২
চা চামচ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : কাঁচকলা ডুবো পানিতে সেদ্ধ
করুন। কলার খোসা ছাড়িয়ে চটকে রাখুন।
এবার ইলিশ মাছ, পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, লবণ ও
তেল একসঙ্গে মাখুন। মাখা হলে কাঁচকলা
দিয়ে ভালো করে মেখে গরম গরম পরিবেশন
করুন।
১৬। কচু নারকেল ভর্তা:
উপকরণ : কচু কিমা ১ কাপ, নারকেল বাটা
আধা কাপ, পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,
শুকনো মরিচ ভাজা ৩-৪টি, সরিষার তেল ১
টেবিল চামচ, পুদিনাপাতা কুচি অল্প
পরিমাণ, লবণ স্বাদ মতো।
প্রণালি : প্রথমে এক টুকরো কচুকে পুড়িয়ে বা
সেদ্ধ করে ভালো করে মাখিয়ে কিমা
তৈরি করুন। একটি ফ্রাইপ্যানে তেল দিয়ে
তাতে পেঁয়াজ কুচি, শুকনা মরিচ কুচি দিয়ে
বাদামি করে ভেজে তাতে কচু কিমা ও
নারকেল বাটা দিয়ে নামিয়ে নিন। এবার
পুদিনাপাতা কুচি ও লবণ দিয়ে
ভালোভাবে মাখিয়ে গরম ভাতে
পরিবেশন করুন মুখরোচক কচু নারকেল ভর্তা।
১৭। থানকুনি পাতার ভর্তা:
উপকরণ : থানকুনি পাতা ১ কাপ, কাঁচামরিচ
২টি, রসুনের কোয়া ২টি, লবণ স্বাদ মতো, তিল
২ টেবিল চামচ, কালিজিরা ১ চা চামচ।
প্রণালি : সব একসঙ্গে বেটে (সব পাতা ধুয়ে
পানি মুছে নিতে হবে) ভর্তা তৈরি করতে
হবে। এরপর গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন।
১৮। পেঁয়াজ পাতা ভর্তা:
উপকরণ: ১ ইঞ্চি লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ
পাতা ২ কাপ,সরিষার তেল ১ টেবিল
চামচ,পেঁয়াজ কুচি ১ টেবিল চামচ,শুকনামরিচ
২টি,কাশুন্দি ১ চা চামচ,লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালী: ফ্রাই প্যান অথবা কড়াইতে তেল
গরম করে পেঁয়াজ পাতা ছেড়ে দিয়ে অল্প
আঁচে ২-৩ মিনিট নাড়ুন। পেঁয়াজপাতা নরম
হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার শুকনামরিচ,
পেঁয়াজ কুচি ও লবণ ভালোভাবে ডলে
পেঁয়াজ পাতা ও কাশুন্দি দিয়ে
হালকাভাবে মেখে ভর্তা তৈরি করুন। গরম
ভাতের সাথে এই ভর্তা খেতে মজা ।
১৯। লাউ এর সিলকা ভর্তা :
উপকরণ: লাউ এর সিলকা-৩ কাপ, শুকনা মরিচ
পোড়ানো-৪/৫টি, লবণ-পরিমাণ মতো, ধনে
পাতা-সিকি কাপ, পিঁয়াজ কুচি-সিকি
কাপ, সরিষার তেল-২ টেঃ চামচ।
প্রণালী: লাউ-এর সিলকা ধুয়ে পানি দিয়ে
সিদ্ধ করে নিন। এবার তেলের মধ্যে লাউ এর
সিলকা ভেজে নিন। শুকনা মরিচ ভেজে
নিন, পিঁয়াজ ভেজে নিন। ধনে পাতা কুচি
করে নিন। এবার লাউ এর সিলকা, শুকনা মরিচ,
পিঁয়াজ কুচি, ধনে পাতা কুচি সব এক সাথে
পাটায় মিহি করে বেটে নিন। হয়ে গেল
লাউ এর সিলকা ভর্তা।
২০। চিনাবাদাম ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: চিনাবাদাম ভাজা (খোসা ছাড়া)
১ কাপ, পেঁয়াজ কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ
৪-৫টি, ধনেপাতা কুচি ১ আঁটি, সরিষার তেল
১ টেবিল-চামচ, লবণ পরিমাণমতো।
প্রণালি: কাঁচামরিচ কাঠখোলায় টেলে
নিতে হবে। বাদামের লাল খোসা ঘষে
তুলে ফেলে, পাটায় বেটে নিতে হবে।
কাঁচামরিচ বেটে নিতে হবে। এবার
তেলের সঙ্গে পেঁয়াজ, লবণ, ধনেপাতা কুচি
চটকে বাদাম ও কাঁচামরিচ বাটা দিয়ে
মাখাতে হবে।গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন
করা যায়।
২১। মিষ্টি কুমড়ার ভর্তার রেসিপি :
উপকরণ: মিষ্টি কুমড়া ২ কাপ, লবণ
পরিমাণমতো, পানি ১ কাপ, ধনেপাতা কুঁচি,
২ টেবিল চামচ, কাঁচামরিচ কুঁচি ২ টেবিল
চামচ, পেঁয়াজ কুঁচি ৪/১ কাপ।
প্রণালী: মিষ্টি কুমড়া খোসা ছাড়িয়ে
কেটে ধুয়ে পানি দিয়ে সেদ্ধ করে নিন।
এবার সিদ্ধ করা মিষ্টি কুমড়ার সঙ্গে সব
উপকরণ খুব ভালো করে মেখে নিন। হয়ে গেল
মজাদার মিষ্টি কুমড়ার ভর্তা।

Monday, December 21, 2015

নৌকা ও স্রোত সংক্রান্ত অংক ৩০ সেকেন্ডে করার টিপস

বিসিএসসহ নিয়োগ পরীক্ষায় অতি অল্প
সময়ে জটিল অংক সমাধান করতে হয়।
কিছু টেকনিক জানা থাকলে অংক
করা সহজ হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই
ভালো পরীক্ষা দেয়া সম্ভব। আজ
আপনাদের দেখাবো অল্প সময়ে
সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ডে কিভাবে
নৌকা ও শ্রমিক সংক্রান্ত অংকের
সমাধান করা যায়।
নিয়ম-১: নৌকার গতি স্রোতের অনুকূলে
ঘন্টায় ১০ কিমি. এবং স্রোতের
প্রতিকূলে ২ কিমি.। স্রোতের বেগ কত?
টেকনিক-১ :
স্রোতের বেগ = (স্রোতের অনুকূলে
নৌকার বেগ স্রোতের প্রতিকূলে
নৌকার বেগ) /২
= (১০ – ২)/২
= ৪ কি.মি.
নিয়ম-২: একটি নৌকা স্রোতের অনুকূলে
ঘন্টায় ৮ কি.মি. এবং স্রোতের
প্রতিকূলে ঘন্টায় ৪
কি.মি. যায়। নৌকার বেগ কত?
টেকনিক-২ নৌকার বেগ = (স্রোতের
অনুকূলে নৌকার বেগ+স্রোতের
প্রতিকূলে নৌকার বেগ)/২
= (৮ + ৪)/২
= ৬ কি.মি.
নিয়ম-৩: নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘন্টায়
যথাক্রমে ১০ কিমি. ও ৫ কিমি.।
নদীপথে ৪৫ কিমি. পথ একবার যেয়ে
ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
টেকনিক-৩
স্রোতের অনুকূলে নৌকারবেগ = (১০+৫) =
১৫ কিমি.
স্রোতের প্রতিকূলে নৌকার বেগ =
(১০-৫) = ৫ কিমি.
মোট সময় = [(মোট দূরত্ব/অনুকূলে বেগ)
+(মোট দূরত্ব/প্রতিকূলে বেগ)] = [(৪৫/১৫) +
(৪৫/৫)] = ৩ + ৯
= ১২ ঘন্টা
নিয়ম-৪: একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে
২ ঘন্টায় ৫ কিমি. যায় এবং ৪ ঘন্টায়
প্রথম
অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট
ভ্রমণে প্রতি ঘন্টায় গড় বেগ কত?
টেকনিক-৪
গড় গতিবেগ = (মোট দূরত্ব/মোট সময়)
= (৫+৫)/(২+৪)
= ৫/৩ মাইল
নিয়ম-৫: এক ব্যক্তি স্রোতের অনুকূলে
নৌকা বেয়ে ঘন্টায় ১০ কিমি. বেগে
চলে কোন স্থানে গেল এবং ঘন্টায় ৬
কিমি. বেগে স্রোতের প্রতিকূলে
চলে যাত্রারম্ভের স্থানে ফিরে এল।
যাতায়াতে তার গড় গতিবেগ কত?
টেকনিক-৫
গড় গতিবেগ = 2mn/(m+n)
= (২ x ১০ x ৬)/(১০+৬)
= ১৫/২ কি.মি

Sunday, December 20, 2015

ইংলিশ শব্দের SUFFIX (প্রত্যয়) বা PREFIX (উপসর্গ) দেখে PARTS OF SPEECH ও ANTONYM চেনার সহজ কয়েকটি উপায় ও # মনেরাখার__শর্টকাট__টেকনিক

1) যে সকল word বা শব্দের শেষে ce, cy, ity, ty, ness, hood,
dom, tion, sion, ance, age, ment, th, ইত্যাদি suffix বা
প্রত্যয় যুক্ত থাকে তখন উহা সাধারণত Noun হয়।
অর্থাৎ যেসব Word এর শেষে tion,ce,ty,age …
dom,cy,ry,gy. ment,ness,ism,ist ! ex,hood,cm,th.
এছাড়া Verb+al,er,ing থাকলে সেই Word টি NOUN হবে।
.
# মনেরাখার__টেকনিকঃ শুন(tion) ছি(sy) তাই(ty) আগে(aga)
দম(doom) ছাই(cy) রাই(ry) যাই(gy)। মেন্ট(ment) নেস ইজম
ইষ্ট এক্স হুড সিএম টিস(th)।
.
যেমনঃ
☆ ― tion : action ☆ ― sion: confusion ☆ ― er : driver ☆ ―
or : actor ☆ ― dom: freedom ☆ ― hood: childhood ☆ ―
ness: kindness ☆ ― th: growth ☆ ― let: booklet ☆ ― ock :
bullock
☆ ― ment : management ☆ ― age : marriage ☆ ― ance :
innocence ☆ ― cy : accuracy
☆ ― tude : servitude ☆ ― ice : service ☆ ― ure : pleasure ☆
― y : victory ☆ ― ry : dispensary
2) শব্দের শেষে able, ous, ant, ent, le, al, ful, er, est, ive,
ইত্যাদি থাকলে উহা Adjective হয়।শব্দের পূর্বে more/ most/less/least থাকলে,উহা Adjective হয়।
অর্থাৎ যদি কোন word এর শেষঅংশে ble,ful,ous,less
ic,al,ant,ent tive,sive. ইত্যাদি suffix থাকে তবে সাধারণত
[ADJECTIVE] হয়।
ছন্দঃ- বল,ফুল,আওস,লেছ, ইক,আল,অ্যান্ট,য়
েন্ট,টিভ,সিভ।
যেমনঃ ble(বল)=favourable, ful(ফুল)=powerful, ous
(আওস)=continuous, less=aimless, ic=economic,
al=conditional, tive=Communicative, sive=Possessive.
☆ ― al : national ☆ ― ic, ical : historic , historical ☆ ―ish:
Turkish ☆ ―istic: fantastic , optimistic ☆ ―ive : active ,
attentive ☆ ―ian, an : Indian , American ☆ ―ary :
necessary, documentary ☆ ―ed : learned , talented ―ate :
Fortunate , talented ☆ ―able : drinkable , movable ☆ ―ible :
sensible , edible ☆ ―ful : beautiful, hopeful ☆ ―less :
fearless, helpless ☆ ―ly : friendly, manly, heavenly ☆ ―y : healthy, wealthy ,
যেমনঃ Beautiful, Best, Important, ইত্যাদি।His friend will not do illegal matter.
3) Adjective এর শেষে ly যোগ করে সাধারণত Adverb হয়।
আবার ly বাদ দিলে উহা Adjective হয়।
যেমনঃ slow → slowly, slowly → slow. Example: He did not
it slowly. It was slow.
4) শব্দের শেষে te, d, ed, ain, fy, e, en, ize, se, ing, ইত্যাদি
থাকলে উহা verb হয়।যেমনঃ build, beautify, made
ইত্যাদি।
5) শব্দের প্রথমে de, dis, il, im, in, ir, un, miss,ইত্যাদি
Prefix বা উপসর্গ থাকলে উহা বাদ দিলে বিপরীত অর্থবোধক বা antonym হয়।
যেমনঃDecontaminate(দূষণ হতে মুক্ত করা) Contaminate
(দূষণ করা) Disconnect (পৃথক করা) Connect(পৃথক) Immortal
(অমরনশিল) Mortal(মরণশীল
6) যে সকল verb এর আগে be, en, em, im, ইত্যাদি prefix বা
উপসর্গ থাকে তখন উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃBeflower (ফুল দ্বারা আচ্ছাদিত করা) Flower (ফুল)
Enable ( সামর্থ্য হওয়া ) Able ( সামর্থ্য)
7) যে সকল verb এর পরে en, ify, ize, ইত্যাদি suffix বা
প্রত্যয় যোগ থাকে উহা বাদ দিলে noun/adjective হয়।
যেমনঃ broaden (প্রশস্থ করা) broad( প্রশস্থ) signify
(চিহ্নিত করা) sing(চিহ্ন)
8) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘or’ suffix যোগ
করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃ calculate (গণনা করা ) calculator (যে গণনা করে )
9) verb এর শেষে de থাকলে de বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix
যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃconclude(সমাপ্ত করা ) conclusion(সমাপ্ত)
10) verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ier, suffix যোগ
করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃcarry (বহন করা) carrier (বহনকারী)
11) verb এর শেষে se থাকল e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix যোগ
করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃTelevise(টেলিভিশনে প্রচার করা) Television
(দূরদর্শন )
12) verb এর শেষে rt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix
যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃDivert (চিত্ত-বিনোদন করা) Diversion
(চিত্তবিনোদন)
13) verb এর শেষে nt থাকলে t বাদ দিয়ে ‘sion’ suffix
যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAscent(আরোহণ করা) Ascension(আরোহণ)
14) verb এর শেষে it থাকলে t বাদ দিয়ে ‘ssion’ suffix
যোগ করে noun গঠন করা হয়।
যেমনঃAdmit(ভর্তি করা) Admission(ভর্তি)
15) verb এর শেষে ate থাকলে e বাদ দিয়ে ‘ion’ suffix
যোগ করে noun গঠন করা হয়।যেমনঃAcceler
ate(অধিকতর
দ্রুত চলা) Acceleration(বেগ বিদ্ধি)
16) verb এর শেষে e থাকলে e বাদ দিয়ে ‘able’ suffix
যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃmeasure
(পরিমাপ করা) measurable (যাহা পরিমাপ করা যায়
এমন)
17) verb এর শেষে ate থাকলে ate বাদ দিয়ে ‘able’ suffix
যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃAppreciate
(প্রশংসা করা) Appreciation(প্রশংসনীয়)
18) verb এর শেষে fy থাকলে y বাদ দিয়ে ‘iable’ suffix
যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃClassify (শ্রেণী
বিভাগ করা) Classifiable(শ্রেণী বিভাগের যোগ্য)
19) 20 . verb এর শেষে y থাকলে y বাদ দিয়ে ‘ied’ suffix
যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃstratif
y(স্তরে
স্তরেগথিত হওয়া) stratified(স্তরিভুত)
20) verb এর শেষে ge, se, de, থাকলে ge, se, de বাদ দিয়ে
‘sive’ suffix যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।
যেমনঃDiffuse(ছাড়াইয়া দেওয়া) Diffusive(ব্যাপক)
21) verb এর শেষে duce থাকলে e বাদ দিয়ে ‘tive’ suffix
যোগ করে Adjective গঠন করা হয়।যেমনঃproduce (উৎপাদন
করা) productive(উৎপাদন
22) কিছু শব্দের suffix বা প্রত্যয় বাদ দিলে তার পার্ট
অফ স্পিচ ও পরিবর্তন হয়ে যায় তেমনি কিছু নিয়মঃ
a) শব্দের শেষে ce/cy বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে
Adjective হয়। যেমনঃ Importance →Important.
b) শব্দের শেষে ity বাদ দিয়ে Adjective হয়। যেমনঃ
Popularity (জন প্রিয়তা) Popular (জনপ্রিয়)
c) শব্দের শেষে ness বাদ দিয়ে Adjective হয়। যেমনঃ
awfulness,(ভয়ানকতা) awful(ভয়ানক)
d) শব্দের শেষে hood/dom বাদ দিয়ে Adjective হয়।
যেমনঃ falsehood(মিথ্যা কথা) false(মিথ্যা)
e) শব্দের শেষে tion বাদ দিয়ে t/te যোগ করলে verb হয়।
যেমনঃ conection →conect.
f) শব্দের শেষে ment বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃ
enjoyment(উপভোগ) enjoy(উপভোগ করা)
g) শব্দের শেষে ance বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃ
acceptance(গ্রহণ ) accept(গ্রহণ করা)
h) শব্দের শেষে age বাদ দিয়ে verb হয়। যেমনঃBreakage
(ভাংগন) Break(ভাংগা) ।
@@@bdcarer